রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের দুটি পদ্ধতি
রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের জন্য একাধিক পদ্ধতি রয়েছে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে — “রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের দুটি পদ্ধতির নাম লেখ।” নিচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষায় গ্রহণযোগ্য দুটি পদ্ধতি সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের দুটি পদ্ধতি
১. তুলনামূলক পদ্ধতি (Comparative Method)
এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের গঠন এবং কার্যক্রম পরস্পরের সাথে তুলনা করে বিশ্লেষণ করা হয়। অ্যারিস্টটল ১৫৮টি নগররাষ্ট্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। এই পদ্ধতিতে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার ত্রুটি-বিচ্যুতি সহজে চিহ্নিত করা যায়।
২. দার্শনিক পদ্ধতি (Philosophical Method)
এই পদ্ধতিতে যুক্তি ও নৈতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রকৃতি, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি নির্ধারণ করা হয়। প্লেটো, হবস, রুশো, কান্ট প্রমুখ দার্শনিকরা এই পদ্ধতির প্রবক্তা। এখানে কিছু বিষয়কে স্বতঃসিদ্ধ ধরে নিয়ে অবরোহ পদ্ধতিতে সিদ্ধান্তে আসা হয়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যয়নের অন্যান্য পদ্ধতিসমূহ
পরীক্ষায় দুটির বেশি পদ্ধতির নাম জানতে চাইলে নিচের তালিকাটি কাজে আসবে:
| পদ্ধতি | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| ঐতিহাসিক পদ্ধতি | অতীত ঘটনা বিশ্লেষণ করে বর্তমান বোঝা |
| পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতি | সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ |
| পরীক্ষামূলক পদ্ধতি | পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই |
| আচরণগত পদ্ধতি | মানুষের রাজনৈতিক আচরণ বিশ্লেষণ |
| পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি | সংখ্যাভিত্তিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ |
| প্রতিষ্ঠানগত পদ্ধতি | রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কাঠামো বিশ্লেষণ |
আরও: রাষ্ট্রবিজ্ঞান কী? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ও পরিধি
(FAQ
উত্তর: তুলনামূলক পদ্ধতি ও দার্শনিক পদ্ধতি।
উত্তর: পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতি, পরীক্ষামূলক পদ্ধতি ও দার্শনিক পদ্ধতি।
উত্তর: অ্যারিস্টটল।
উত্তর: নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি।
